রোডম্যাপ
সামনে কী আসছে
যেটা তৈরি হচ্ছে সেটা এখানে লেখা থাকে। আর যেটা এখানে নেই অথচ আপনার দরকার — নিচে লিখে পাঠান, দোকানদাররা যেটা বেশি চান সেটাই আগে হয়।
-
AI অটো-কল ভেরিফিকেশন — অর্ডার নিজে থেকেই কনফার্ম
অর্ডার এলেই এক মিনিটের মধ্যে কাস্টমারকে আপনার দোকানের নামে অটো কল। ১ চাপলে অর্ডার নিজে থেকেই কনফার্ম, ২ চাপলে আপনার সাথে কথা; না ধরলে দুই মিনিট পর পর তিনবার আবার কল। ফল লেখা থাকে অর্ডারের ইতিহাসে। প্লাগিন আর ক্লাউড — দুটোতেই, অ্যাড-অন হিসেবে।
-
ল্যান্ডিং পেজে মেটার ইভেন্ট আলাদা — কে শুধু দেখল, কে কিনতে চাইল
এক পাতার ল্যান্ডিং পেজে সব ইভেন্ট আর একসাথে যায় না। কেউ কতটা স্ক্রল করলো আর কতক্ষণ থাকলো দেখে আলাদা আলাদা ইভেন্ট মেটায় যায় — কে শুধু দেখল আর কে সত্যিই কিনতে চাইল, মেটা বুঝতে পারে। সীমা আপনি Meta Pixel পাতায় নিজে ঠিক করবেন, পাশে গাইড আছে।
-
AI দিয়ে পোস্টাল কোড আর জোন — নিজে থেকেই ঠিক
কাস্টমার ঠিকানা যেভাবেই লিখুক — বাংলা, ইংরেজি বা মিশিয়ে — নিয়মে না মিললে AI ঠিকানা পড়ে জোন আর পোস্টকোড নিজে থেকেই বসিয়ে দেয়, নতুন অর্ডারে সাথে সাথে। পুরোনো অর্ডারে পোস্টকোড বসানোর বোতামও আছে।
-
AI চ্যাট — চ্যাটেই অর্ডার, ট্র্যাকিং আর স্টকের খবর
ডেস্কের নিচে ডানে "AI অর্ডার" চ্যাট: কয়েকজন কাস্টমারের মেসেজ একসাথে পেস্ট করলে প্রতিটা একটা অর্ডার কার্ড হয়, "দাম ৪৫০ হবে" লিখে কার্ড বদলানো যায়। অর্ডার নম্বর বা ফোন দিলে কুরিয়ারের ট্র্যাকিং দেখায়, "#২৭৬৭ ঠিকানা মিরপুর ১০" লিখে অর্ডার বদলায়, "হেডফোন কয়টা আছে" লিখলে স্টক বলে।
-
AI দিয়ে অর্ডার — মেসেজ পেস্ট করলেই
নতুন অর্ডারে কাস্টমারের মেসেজ পেস্ট করে "Fill with AI" চাপলে নাম, ফোন, ঠিকানা, প্রোডাক্ট আর ডেলিভারি চার্জ নিজে বসে যায় — দেখে নিয়ে অর্ডার করবেন। লাইসেন্সের সাথে ফ্রি, মাসে ৫০০টা মেসেজ। AI দিয়ে বানানো অর্ডারের পাশে "AI" লেখা থাকে।
-
একই অর্ডার দুবার হবে না
একই নম্বর বা একই ডিভাইস থেকে একই পণ্য, একই পরিমাণ আর একই দামের অর্ডার ৫ মিনিটের মধ্যে আবার এলে নেওয়া হয় না — ক্রেতা দেখেন অর্ডারটি আগেই পাওয়া গেছে। নিজে থেকেই চালু, Order protection থেকে সময় বদলানো বা বন্ধ করা যায়।
-
নিশ্চিতের খবর অ্যাপে আর ডেস্কে
নতুন ফিচার আর আপডেটের খবর আপনার স্টাফদের অ্যাপের নোটিফিকেশনে আসে, ডেস্কের ঘণ্টায় আলাদা "News" ট্যাবে পুরোটা পড়া যায়। চাইলে অ্যাপের নোটিফিকেশন সেটিংসে বন্ধ রাখা যায়।
-
AI Call-এ তিনটি প্যাকেজ — মাসিক ফি ছাড়া Pay as you go-ও
Starter ৳৩৯০/মাস (৫০ মিনিট ফ্রি, তারপর ৳০.৯৯), Business ৳৬৯০/মাস (১০০ মিনিট ফ্রি, তারপর ৳০.৭৯), আর Pay as you go — মাসিক ফি নেই, প্রতি মিনিট ৳১.৯৯। AI Call পাতা থেকে বেছে নেবেন, পরের মাস থেকে বা এখনই বদলানো যায়। প্লাগিন আর ক্লাউডে একই দাম; যাঁরা আগে থেকে নিয়েছেন, তাঁদের দাম বদলায়নি।
-
ফ্রড চেকে স্টেডফাস্টের আসল সংখ্যা
স্টেডফাস্ট নিয়মিত পার্সেল পাঠানো মার্চেন্টকে কাস্টমারের ঠিক কতটা ডেলিভারি আর ক্যান্সেল হয়েছে তা দেয় — নিশ্চিত এখন সেটাই দেখায়। স্টেডফাস্ট শুধু ধাপ দিলে (যেমন ৫০+) আনুমানিক সংখ্যা, পাশে "≈" চিহ্ন।
-
ফেরত পার্সেল স্ক্যান করলেই স্টকে
অ্যাপে লেবেলের বারকোড স্ক্যান করুন বা অর্ডার নম্বর লিখুন — ভালো অবস্থায় ফেরা জিনিস স্টকে যোগ হয়, নষ্টটা গোনা থাকে কিন্তু বিক্রিতে যায় না। অর্ডারে একটা নোট পড়ে; স্ট্যাটাস বদলায় না, কাস্টমারকে SMS যায় না।
-
কম্পিউটার থেকেই লেবেল আর ইনভয়েস
অর্ডার ডেস্কে কয়েকটা অর্ডার বেছে নিয়ে এক চাপে লেবেল, ইনভয়েস বা প্যাকিং লিস্ট ছাপুন — মাপ বেছে, PDF চাইলে PDF। এতদিন এর জন্য ফোন হাতে নিতে হতো।
-
প্রিন্টিং একবার ঠিক করলে সব জায়গায় এক
লেবেলের মাপ, প্রিন্টার এদিক-ওদিক হলে সরানো, ইনভয়েসে দোকানের নাম-ঠিকানা-লোগো — সেটিংসে একবার। আগে এগুলো প্রতিটা ফোনের নিজের ছিল, তাই এক ফোনে মিলিয়ে নিলেও অন্য ফোনে অন্যরকম ছাপত।
-
জোন নিজে থেকেই বসবে
ঠিকানা দেখে ডেলিভারি জোন নিজে থেকে বসে যাবে — হাতে বেছে দিতে হবে না, কুরিয়ারের এলাকা আর চার্জ ঠিকঠাক আসবে।
-
অর্ডার ডেস্ক এক সেকেন্ডে খোলে
আগে চার সেকেন্ড লাগত — পাতা আসার পর আরও তিনটে অনুরোধ যেত আর প্রতিটাতেই সব নতুন করে চালু হতো। এখন যে অনুরোধে পাতা আসে সেটাই সব নিয়ে আসে।
-
ডেলিভারি চার্জ আর ডিসকাউন্ট ডেস্কেই
ফোনে দরদাম করে চার্জ কমানো বা দেরির জন্য কিছু ছাড় — অর্ডার খুলেই বদলানো যায়। এতদিন এর জন্য উকমার্সের নিজের পাতায় যেতে হতো।
-
পাঠাও কুরিয়ার আর অটো-স্ট্যাটাস
স্টেডফাস্টের পাশে এখন পাঠাও-ও। এক জায়গা থেকে কুরিয়ার বেছে বুকিং, কনসাইনমেন্ট নম্বর নিজে থেকেই বসে। আর কুরিয়ারের খবরেই অর্ডারের অবস্থা বদলায় — পার্সেল উঠলে In Transit, পৌঁছালে Delivered, ফেরত এলে Returned। হাতে বদলাতে হয় না।
-
ধাপ ধরে স্টাফ ভাগ — যার যে কাজ, সে সেটুকুই দেখে
কনফার্মার শুধু নতুন আর কনফার্মড অর্ডার, প্যাকার ওয়েটিং আর প্যাকড, ডিসপ্যাচার ডেলিভারড ছাড়া সব, ম্যানেজার সব — পুশ আর অ্যালার্টও সেই ধাপেরই যায়। স্টাফ wp-admin-এ ঢোকে না, সরাসরি অর্ডার ডেস্কে। আর মডারেটর রোল: শুধু নিজের তোলা বা অ্যাসাইন করা অর্ডার।
-
RedX আর CarryBee — চারটে কুরিয়ার, অর্ডার ধরে বাছাই
Steadfast, Pathao, RedX, CarryBee — চারটেই এসে গেছে। প্রতিটা অর্ডারে যেটা সুবিধা সেটা বেছে বুক, কনসাইনমেন্ট নম্বর নিজে বসে, কুরিয়ারের খবরে স্ট্যাটাস বদলায়। ডেলিভারি চার্জ দিয়ে ফেরত এলে Pathao আর CarryBee-তে নিজে থেকেই Partial — হাতে আলাদা করতে হয় না।
-
মাল্টি-স্টোর — একাধিক দোকান এক ফোনে
যাঁর দুটো-তিনটে দোকান, তাঁর একটাই অ্যাপ: বাঁয়ের মেনুতে দোকানগুলো পাশাপাশি, এক চাপে বদল। প্রতিটা দোকানের অর্ডার, স্টক, সেটিংস আলাদাই থাকে, পুশের মাথায় দোকানের নাম।
-
মডারেটর রোল — শুধু নিজের অর্ডার
যে স্টাফ শুধু অর্ডার তোলে: নিজে যা তুলেছে আর যা তাকে অ্যাসাইন করা হয়েছে, তার বাইরে কিছু নেই — তালিকায় না, খোঁজে না, হোমের সংখ্যাতেও না। ভেতরে সে পুরো কাজ করতে পারে।
-
ফোন থেকেও কুরিয়ার বাছাই, আর নম্বর নিজে সাফ
অ্যাপে Send to courier চাপলে চারটে কুরিয়ারের যেকোনোটা বাছা যায়; এরিয়া লাগলে পিকারটা নিজে খোলে। আর +৮৮০, বাংলা অঙ্ক, শুরুর শূন্য বাদ, এক ঘরে দুটো নম্বর — কুরিয়ারে পাঠানোর আগে নম্বরটা নিজেই ঠিক করে নেয়, না পারলে কোনটা আটকাল সেটা বলে।
-
লেবেলে কনসাইনমেন্ট নম্বর লেখাও
বারকোডের নিচে নম্বরটা পড়ার মতো করে — স্ক্যানার না থাকলেও কুরিয়ারের সাথে মেলানো যায়।
-
Telegram-এ অ্যাডমিন অ্যালার্ট
অ্যাপ না থাকলেও ফোনে খবর: নতুন অর্ডার একটা চ্যাটে, ফেরত আর কুরিয়ারের সমস্যা আরেকটায় — কাস্টমারের নম্বরসহ। একসাথে পঞ্চাশটা এলে পঞ্চাশটা মেসেজ নয়, এক লাইনে। বট বসাতে "আমার চ্যাটগুলো খোঁজো" বোতাম — আইডি কপি করতে হয় না।
-
ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট — চারটা সংখ্যা, লেজার, অ্যালার্ট
গোডাউনে কত, অর্ডারে রিজার্ভড কত, কুরিয়ারের পথে কত, সত্যিই বিক্রির জন্য বাকি কত — একটা "স্টক" সংখ্যা নয়, চারটা। স্টক ইন, স্টক আউট, গুনে দেখলাম — কে কখন কত বদলাল লেজারে লেখা। ফুরানোর আগেই লো-স্টক পুশ, আর কেনা দামে পুরো গুদামে কত টাকার মাল বসে আছে।
-
মেটা কনভার্শন API — সার্ভার থেকে সরাসরি
ব্রাউজারের পিক্সেল অনেক ইভেন্ট হারায়, সার্ভার থেকে গেলে হারায় না। আর ক্যাশ অন ডেলিভারির আসল কথাটা এই: Purchase যাবে পার্সেল ডেলিভারি হওয়ার পর — তাই বিজ্ঞাপন শিখবে কোন অর্ডারটা সত্যিই টাকা এনেছে, কোনটা ফেরত এসেছে।
-
অর্ডার আসামাত্রই ঝুঁকির চিহ্ন
অর্ডার আসার সাথে সাথেই লাল, হলুদ বা সবুজ চিহ্ন বসে যায় — কেন বসল সেটাও লেখা থাকে, আন্দাজ নয়। লাল হলে ফোনে খবরও আসে।
-
অর্ডার হঠাৎ কমে গেলে জানাবে
এই সময়ে সাধারণত যত অর্ডার হয়, আজ তার চেয়ে অনেক কম হলে ফোনে খবর আসে — সাথে ইঙ্গিত, চেকআউটে সমস্যা নাকি বিজ্ঞাপন বা পিক্সেলে। সেদিনই ধরা পড়ে, মাস শেষে নয়।
-
ফেরত বেড়ে গেলে জানাবে
কোন এলাকায় বা কোন কুরিয়ারে হঠাৎ ফেরত বাড়লে খবর আসে। রিপোর্টের ফেরত ট্যাবে গত ৭ দিন আর সাধারণ সময়ের হিসাব পাশাপাশি।
-
অ্যাপ থেকেই প্রোডাক্ট যোগ
নতুন প্রোডাক্ট, ছবি, দাম, ক্যাটাগরি আর সাইজ-কালারের ভ্যারিয়েশন — ফোন থেকেই যোগ করা আর বদলানো যাবে, কম্পিউটার লাগবে না। যোগ করলেই ওয়েবসাইটে উঠে যাবে। প্রথমে নিশ্চিত ক্লাউডে, পরে ওয়ার্ডপ্রেসের দোকানেও।
-
ওয়েবসাইটের চ্যাট — জবাব নিশ্চিত অ্যাপ থেকেই
কাস্টমার সাইটে বসেই মেসেজ করবে, আপনি নিশ্চিত অ্যাপ থেকে জবাব দেবেন — আলাদা কোনো টুল লাগবে না। কথা থেকেই সরাসরি অর্ডার তোলা যাবে।
-
বিজ্ঞাপনের খরচ, মানে আসল লাভ
কোন ক্যাম্পেইন থেকে কয়টা অর্ডার এসেছে সেটা এখনই আছে। খরচটা যোগ হলে বলা যাবে — এই ক্যাম্পেইনে কত টাকা গেল, কতটা ডেলিভারি হলো, শেষে কত থাকল।
-
লাভ-ক্ষতির হিসাব — মাস শেষে এক পাতায়
পণ্য ধরে আর ক্যাম্পেইন ধরে লাভ এখনই আছে — কেনা দাম আর কুরিয়ার চার্জ বাদ দিয়ে, ফেরত বাদ দিয়ে। এরপর পুরো দোকানের হিসাব একসাথে: দিনের বা মাসের বিক্রি, কেনা দাম, কুরিয়ার, ফেরতের খরচ, বিজ্ঞাপন, SMS — সব বাদ দিয়ে কত থাকল, এক পাতায়।
-
WhatsApp আর Slack-এ অ্যালার্ট
পুশ নোটিফিকেশন তো আছেই। অনেক দোকান সারাদিন WhatsApp গ্রুপেই চলে, তাই খবরটা সেখানেও যাবে।
-
বারকোড স্ক্যান করে প্যাকিং
ক্যামেরা দিয়ে মিলিয়ে নেওয়া — ভুল পার্সেল ভুল ঠিকানায় যাওয়া ওখানেই আটকায়।
-
অ্যাপের ভেতরটা বাংলায়
ওয়েবের দিকটা বাংলা, অ্যাপের ভেতরটা এখনো ইংরেজি।
-
Google আর TikTok Ads-এও সার্ভার ট্র্যাকিং
মেটার মতোই — ব্রাউজারের পিক্সেল যা হারায়, সার্ভার থেকে গেলে হারায় না। আর আসল কনভার্শনটা যাবে পার্সেল ডেলিভারি হওয়ার পর, তাই Google আর TikTok-ও শিখবে কোন অর্ডার সত্যিই টাকা এনেছে।
-
একই ডিভাইস থেকে বারবার ফেক অর্ডার আটকাবে
সিম বদলালেও ডিভাইসটা চেনা থাকে। যে তিনটা পার্সেল ফেরত দিয়ে নতুন নম্বরে আবার অর্ডার করে, তাকে চেকআউটেই ধরা যাবে — একই ডিভাইস বা IP থেকে অল্প সময়ে অনেক অর্ডারও।
-
VPN বা প্রক্সি দিয়ে আসা অর্ডার
পরিচয় লুকিয়ে আসা অর্ডারে চিহ্ন বসবে, চাইলে আটকানোও যাবে। ভুল হতে পারে বলে ডিফল্টে শুধু আলাদা করে দেখাবে — আটকানোটা আপনার হাতে।
তারিখগুলো আন্দাজ, প্রতিশ্রুতি নয়। যেটা এসে গেছে সেটা ফিচারের তালিকায় চলে যায়।
যেটা দরকার সেটা নেই? বলুন।
কোন কুরিয়ার, কোন রিপোর্ট, কোন SMS — যত সোজা ভাষায় লিখবেন তত ভালো। সরাসরি আমাদের কাছে যায়, পাবলিক হয় না।